আমার ভাগ্নে
সেদিন আপনাদের বলেছিলাম আমি মামা হলাম। কিন্তু ভাগ্নের ছবি দেখাতে পারিনি। আমি দুঃখিত। আজ আপনাদের তার ছবি দেখাবো। তার আগে কিছু কথা।
সেদিন অফিস শেষ করে বিকেল বেলা আমি বাড়ি রওয়ানা হলাম। এদিকে আমার ফোনটা নষ্ট, তাই ভাগ্নের কোন আপডেট জানিনা। গাড়ী থেকে নেমে সরাসরি হাসপাতালে গেলাম ভাগ্নেকে দেখতে। রুম নাম্বার জানিনা। খুঁজে খুঁজে বের করলাম। দরজা খুলে কেবিনে গিয়ে দেখি সবার মুখ থমথমে। কেউ কেউ কাঁদছে। কথায় বলে ঘর পোড়া গরু সিদুরে মেঘ দেখলে ডরায়। আমারও অবস্থা তাই। ভাবলাম এবারও কি আগের মতো কিছু হলো নাকি।
দেখি আমাদের বাবু কাঁদছে। বাবাকে বললাম কি হয়েছে?
বাবা যা বললো তার মরমার্থ হল বাবুর নাকি ভোর বেলায় একটু শ্বাস কষ্ট ছিল তাই ডাক্তার তাকে সদর হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তাকে সেলাইন দেয়া হয়। কিন্তু দুপুরের দিকে বাবু একা একা পা থেকে সেলাইন খুলে ফেলে। কিন্তু সেলাইন এর সুই সম্পুর্ণ না খুলে পায়ের মাংস পেশিতে ঢুকে যায়। এতে সম্পুর্ণ সেলাইন পায়ের মাংস পেশিতে প্রবেশ করে। ফল সরূপ সারা দুপর বাবু কাদে ব্যাথায়। এরপর দিন তার কান্না থামে। এখন বাবু সুস্থ আছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। আর নামের কি হলো একটা নাম কি কেউ দিতে পারেন না?