Tuesday, September 7, 2010
ঈদ মোবারক
আজ অফিস করছি কাল থেকে বন্ধ হয়ে যাবে। তার মানে সোমবার পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন থাকবো ব্লগ থেকে। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক। ঈদে আনন্দ করুন তবে একটু নজর রাখুন আপনার প্রতিবেশি যাদের আপনার মতো সামর্থ নাই আনন্দ করার তারা যেন অবহেলার স্বীকার না হয়। একটু সহানুভুতির হাত বাড়িয়ে দিন ওদের দিকে। পরিশেষে সবাই কে ঈদ মোবারক।
Monday, September 6, 2010
Monday, August 30, 2010
আমার ভাগ্নে
আমার ভাগ্নে
সেদিন আপনাদের বলেছিলাম আমি মামা হলাম। কিন্তু ভাগ্নের ছবি দেখাতে পারিনি। আমি দুঃখিত। আজ আপনাদের তার ছবি দেখাবো। তার আগে কিছু কথা।
সেদিন অফিস শেষ করে বিকেল বেলা আমি বাড়ি রওয়ানা হলাম। এদিকে আমার ফোনটা নষ্ট, তাই ভাগ্নের কোন আপডেট জানিনা। গাড়ী থেকে নেমে সরাসরি হাসপাতালে গেলাম ভাগ্নেকে দেখতে। রুম নাম্বার জানিনা। খুঁজে খুঁজে বের করলাম। দরজা খুলে কেবিনে গিয়ে দেখি সবার মুখ থমথমে। কেউ কেউ কাঁদছে। কথায় বলে ঘর পোড়া গরু সিদুরে মেঘ দেখলে ডরায়। আমারও অবস্থা তাই। ভাবলাম এবারও কি আগের মতো কিছু হলো নাকি।
দেখি আমাদের বাবু কাঁদছে। বাবাকে বললাম কি হয়েছে?
বাবা যা বললো তার মরমার্থ হল বাবুর নাকি ভোর বেলায় একটু শ্বাস কষ্ট ছিল তাই ডাক্তার তাকে সদর হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তাকে সেলাইন দেয়া হয়। কিন্তু দুপুরের দিকে বাবু একা একা পা থেকে সেলাইন খুলে ফেলে। কিন্তু সেলাইন এর সুই সম্পুর্ণ না খুলে পায়ের মাংস পেশিতে ঢুকে যায়। এতে সম্পুর্ণ সেলাইন পায়ের মাংস পেশিতে প্রবেশ করে। ফল সরূপ সারা দুপর বাবু কাদে ব্যাথায়। এরপর দিন তার কান্না থামে। এখন বাবু সুস্থ আছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। আর নামের কি হলো একটা নাম কি কেউ দিতে পারেন না?
সেদিন আপনাদের বলেছিলাম আমি মামা হলাম। কিন্তু ভাগ্নের ছবি দেখাতে পারিনি। আমি দুঃখিত। আজ আপনাদের তার ছবি দেখাবো। তার আগে কিছু কথা।
সেদিন অফিস শেষ করে বিকেল বেলা আমি বাড়ি রওয়ানা হলাম। এদিকে আমার ফোনটা নষ্ট, তাই ভাগ্নের কোন আপডেট জানিনা। গাড়ী থেকে নেমে সরাসরি হাসপাতালে গেলাম ভাগ্নেকে দেখতে। রুম নাম্বার জানিনা। খুঁজে খুঁজে বের করলাম। দরজা খুলে কেবিনে গিয়ে দেখি সবার মুখ থমথমে। কেউ কেউ কাঁদছে। কথায় বলে ঘর পোড়া গরু সিদুরে মেঘ দেখলে ডরায়। আমারও অবস্থা তাই। ভাবলাম এবারও কি আগের মতো কিছু হলো নাকি।
দেখি আমাদের বাবু কাঁদছে। বাবাকে বললাম কি হয়েছে?
বাবা যা বললো তার মরমার্থ হল বাবুর নাকি ভোর বেলায় একটু শ্বাস কষ্ট ছিল তাই ডাক্তার তাকে সদর হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তাকে সেলাইন দেয়া হয়। কিন্তু দুপুরের দিকে বাবু একা একা পা থেকে সেলাইন খুলে ফেলে। কিন্তু সেলাইন এর সুই সম্পুর্ণ না খুলে পায়ের মাংস পেশিতে ঢুকে যায়। এতে সম্পুর্ণ সেলাইন পায়ের মাংস পেশিতে প্রবেশ করে। ফল সরূপ সারা দুপর বাবু কাদে ব্যাথায়। এরপর দিন তার কান্না থামে। এখন বাবু সুস্থ আছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। আর নামের কি হলো একটা নাম কি কেউ দিতে পারেন না?
Tuesday, June 29, 2010
অঙ্কুরে চাকরীর বিজ্ঞাপন
আমার আইইআরের বন্ধুরা অঙ্কুর আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। চাইলে আবেদন করতে পারো। বিস্তারিত-
ankur.org.bd
ভালো থাকো সবাই।
এই ব্লগের সদস্য হতে চাইলে মেইল কর আমাকে-
mshfqr.rahman@gmail.com
এই ঠিকানায়।
ankur.org.bd
ভালো থাকো সবাই।
এই ব্লগের সদস্য হতে চাইলে মেইল কর আমাকে-
mshfqr.rahman@gmail.com
এই ঠিকানায়।
Sunday, June 20, 2010
দৈনন্দিন জীবন শিক্ষা
মারুফ ক্লাসের ফাষ্টবয়। বাংলা, ইংরেজি, গণিত সব বিষয়েই সমান পারদর্শী। তাকে নিয়ে বাবা মায়ের গর্বের শেষ নেই। একমাত্র ছেলে তাই কোন কাজ করতে হয়না। পড়াশোনা নিয়েই সারাদিন কেটে যায়। একদিন বিপত্তিবাধে। মারুফের বড়মামা আসে বেড়াতে। বাসায় বাবা উপস্থিত না থাকায় মারুফকেই বাজারে যেতে হয়। এই প্রথম বাজারে আসা। আলু, পটল, মাছ, মাংস ইত্যাদি কিনতে হবে । কিভাবে কিনতে হবে জানেনা সে। কি আর করা, আলুওয়ালাকে গিয়ে বলল, আলুর দাম কত?
২০, দোকানদারের সোজা উত্তর।
মারুফ দ্বিধায় পড়ে গেল, কিছুদিন আগেই মায়ের সাথে বাসা থেকে স্কুলে যাবার পথে কমলা কেনা দেখেছিল সে। হালি ৫০ টাকা।
সে ভাবল এই ছোট ছোট আলু প্রতিটির দাম ৫ টাকা হতেই পারেনা।
এমন হাজারো সমস্যায় আমাদের মাঝে মাঝেই পড়তে হয়। তার একটি হল ব্যাংকে চালান কিংবা ব্যাংক ড্রাফট করা। কি ভাবে এগুলো করতে হবে তা অনেকের কাছেই অজানা। এমন কি যারা বানিজ্য অনুষদে পড়ে তাদের ও পাঠ্য বইয়ে থাকেনা কিভাবে চালান কিংবা ব্যাংক ড্রাফট করতে হয়।
এসব আমাদের জীবন ঘনিষ্ঠ শিক্ষা। এক কথায় দৈনন্দিন জীবন শিক্ষা। যা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় অনপস্থিত। জীবনকে সঠিক ভাবে ও সহজ ভাবে চালাতে এই জীবন শিক্ষা আমাদের অবশ্যই প্রয়োজন। আর তার ব্যবস্থা করা সরকারের একান্ত দায়িত্ব।
২০, দোকানদারের সোজা উত্তর।
মারুফ দ্বিধায় পড়ে গেল, কিছুদিন আগেই মায়ের সাথে বাসা থেকে স্কুলে যাবার পথে কমলা কেনা দেখেছিল সে। হালি ৫০ টাকা।
সে ভাবল এই ছোট ছোট আলু প্রতিটির দাম ৫ টাকা হতেই পারেনা।
এমন হাজারো সমস্যায় আমাদের মাঝে মাঝেই পড়তে হয়। তার একটি হল ব্যাংকে চালান কিংবা ব্যাংক ড্রাফট করা। কি ভাবে এগুলো করতে হবে তা অনেকের কাছেই অজানা। এমন কি যারা বানিজ্য অনুষদে পড়ে তাদের ও পাঠ্য বইয়ে থাকেনা কিভাবে চালান কিংবা ব্যাংক ড্রাফট করতে হয়।
এসব আমাদের জীবন ঘনিষ্ঠ শিক্ষা। এক কথায় দৈনন্দিন জীবন শিক্ষা। যা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় অনপস্থিত। জীবনকে সঠিক ভাবে ও সহজ ভাবে চালাতে এই জীবন শিক্ষা আমাদের অবশ্যই প্রয়োজন। আর তার ব্যবস্থা করা সরকারের একান্ত দায়িত্ব।
Sunday, May 16, 2010
এসো এক প্ল্যাট ফর্মে দাঁড়াই
মনে পড়ে এইতো সেদিন আমরা আইইআরে ভর্তি হলাম। আবার চলেও যাবো আইইআর ছেড়ে। এর মাঝে ঘটেও গেল কত ঘটনা, কতজন আমাদের ছেড়ে আগেই চলে গেল না ফেরার দেশে। কতজন হয়তো আমাদের মাঝে নেই পিছিয়ে পড়েছে। এখন কে কোথায় থাকি না থাকি তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। হয়তো মাঝে মাঝে মনে পড়বে কারও কথা। জানতে ইচ্ছে হবে কে কেমন আছে। ইচ্ছে করবে ভাবনা গুলো শেয়ার করি। আর এ কারনে একটি ব্লগ সাইট করার ইচ্ছে জাগলো। যেখানে আমরা টেন ব্যাচ আমাদের ভাবনা, সুখ-দু:খ ইত্যাদি শেয়ার করবো।
যদি আমাদের মনে হয় এরকম একটি সাইট আমাদের সত্যিই দরকার তবে musshahi@gmail.com এই ঠিকানায় তোমার gmail এড্রেস পাঠিয়ে দাও বা মেইল করলেও হবে। আমি এ্যাড করে নেব। পরে এখানে সবাই লিখতে পারবে তাদের মনের ভাবনা। অথবা এ সম্পর্কে কোন পরামর্শ থাকলে ও পাঠিয়ে দিতে পারো আমাকে।
তোমাদের
মুশফিকুর রহমান
সোশ্যাল সাইন্স
টেন ব্যাচ
www.ankur.org.bd
যদি আমাদের মনে হয় এরকম একটি সাইট আমাদের সত্যিই দরকার তবে musshahi@gmail.com এই ঠিকানায় তোমার gmail এড্রেস পাঠিয়ে দাও বা মেইল করলেও হবে। আমি এ্যাড করে নেব। পরে এখানে সবাই লিখতে পারবে তাদের মনের ভাবনা। অথবা এ সম্পর্কে কোন পরামর্শ থাকলে ও পাঠিয়ে দিতে পারো আমাকে।
তোমাদের
মুশফিকুর রহমান
সোশ্যাল সাইন্স
টেন ব্যাচ
www.ankur.org.bd
Subscribe to:
Comments (Atom)